রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

মাতাল ওড়াউড়ি

 

তুমি তুখোড় উড়াও ঘুড়ি,
একটা স্বপ্নমাখা ঘুড়ি;
তোমার ঘুড়ির আমি একটা—
এক মাতাল ওড়াউড়ি।
আকাশজুড়ে তোমার হাতের
নিপুণ টানের খেলা,
আমি কেবল ছন্দ খুঁজি
সারা বিকালবেলা।
নেশার মতো আকাশজুড়ে
চক্রাকার ওই ঘোর,
আমি তো এক অবাধ্য টান—
ছিঁড়তে চাওয়া ডোর।
নাটাই যখন দিচ্ছে ঝাপটা
বুকের পাঁজোরজুড়ে,
আমি তখন হচ্ছি যে ছাই
তোমার মেঘের পুরে।
উথালপাথাল হাওয়ার তোড়ে
উড়ে যাই দিশাহীন,
তোমার মায়ায় বন্দি হয়েও
আমি দুরন্ত স্বাধীন।
গুটিয়ে নিও না নাটাইখানি,
পর করো না ঘুড়ি;
তোমার টানেই সার্থক হোক
মাতোয়ারা ওড়াউড়ি।
নাটাইভরা মায়ার সুতায়
বেঁধেই রেখো আমায়;
তোমার আপন আকাশটাতে
জীবন-পরান জুড়ায়।
©রি হোসাইন

তোমাকে সামনে পেলে

তোমাকে সামনে পেলে,
আমি কী করব?
ধরে নাও ফুটপাতের চায়ের দোকানে,
এক কাপ চায়ের চুমুক,
হঠাৎ সামনে পড়লে তুমি...
সে কি চুম্বন হয়ে যাবে তোমার ঠোঁটে?

অথবা,
৬ নম্বর বাসে, পেছনের সিটের এক কোণায়
হাঁটু জোড়া ভাঁজ করে সামনের সিটে ঠেকিয়ে
ঠিক বসা নয়, আটকে আছি... এমন সময়
তুমি পেছনের দরজা দিয়ে উঠলে;
আমি দাঁড়াতে পারব ভেঙেচুরে?

কিংবা
সবকিছু ছেড়েছুড়ে চলে যাচ্ছি দুবাই,
কাজের সন্ধানে, ফ্রি ভিসায়, রঙিন স্বপ্ন চোখে;
বোর্ডিং নিয়েছি, এখন ইমিগ্রেশনে...
পাসপোর্টে সিলও পড়ে গেছে...
লিগ্যালি আমি এখন দেশের বাইরে।
এমন সময় তুমি আরেকটা লাইনে,
সবুজ পাসপোর্ট হাতে নিয়ে অপেক্ষায়?

আমি কী করব?
ছিঁড়তে পারব টিকিট? ছাড়তে পারব স্বপ্ন?
আমি কি ফিরতে পারব এইটুকু পথ,
ধরতে পারব তোমায়?

অবসান

 

এরপর একদিন অপেক্ষার অবসান হলো

আমাদের দেখা হলো

তুমি জানলেই না, অথবা আমিও জানলাম না

কিংবা দুজনের কেউই না।  


কিন্তু বারবার মনে হলো; যাক দেখাতো হয়েই গেলো ...

আর জ্যামিতি শাস্ত্র তুচ্ছ করে

দুটি সমান্তরাল রেখা পরস্পরকে ছেদ করে চলে গেলো।


কেউ জানুক আর না জানুক

একে অপরের অপক্ষের অবসান হলো

আমাদের পরিচয় জমা রাখা মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষগুলো

বহুদুরে উড়ে গেলো প্রজাপতি হয়ে

এ যেনো একটা নিরাপরাধবোধ অনুভূতি, শিশুর পাপের মতো


এরপর একদিন দুজনার উচ্ছ্বাসিত হেঁটে চলা পথে

যখন আর কেউ কারো পথ চেয়ে নেই

দেখা হলো কিনা হয়ে যাবে; কে জানে!


 এখন আর আমরা তো পরিচিত নই.....

অপেক্ষা

 


দেখা হবার অপেক্ষাতে যাপন আমার.....

একদিন দেখাতো হবেই


তারপর একদিন দেখা হবে

কিন্তু;

কেউ কারো কুশল জানতে চাইবো না,

যেনো প্রতিবেশী;  প্রতিদিন আমাদের দেখা হয়..... 


কোন উত্তাপ থাকবে না

কেবল দেখাই হবে, কিন্তু; কথা হবে না

দুজন চলে যাবো, না দেখার ভান করে

যেমনটা হয় দুজন ইর্ষাকাতর প্রতিদ্বন্দীর ভিতরে।


দুর্বোধ্য অপরাধবোধে আমাদের চোখ

চোখাচোখি হতে আসহায় বোধ করে


অথচ দেখা হবে

একদিন দেখাতো হবেই

হয়তো; দেখা না হওয়ার মত করে!

পুনর্জন্ম

চলো নতুন করে জন্মাই 

নতুন করে হাটি, বসি, দৌড়াই 

নতুন উচ্চারণে হাসি 

যখন শব্দের অস্তিত্ব ছিলো না 

তখন যেভাবে কথা বলা হতো 

চলো সে ভাষায় কথা বলি....

অন্যরকম যৌবনে এসো

অদ্ভুত ভালোবাসা বাসি

 

তারপর..

চলো সৃষ্টি করি নতুন অভিধান.. 

নতুন বসন্ত আর বর্ষার সংবিধান 

চলো গড়ে ফেলি প্রেম,

প্রেম আর প্রেম

তারপর.....

সৃষ্টি করি নতুন এক প্রাগৈতিহাসিক প্রজন্ম। 


চলো, ভুলে যাই বর্তমান, অতীত এবং সবকিছুই, 

কিংবা মরে যাই

তারপর... 

চলো নতুন করে জন্মাই.....


শনিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০১৯

কালো কবিতা -৮৫


বাড়ছিলো দায় ব্যর্থ জনম জন্মের
চক্র চক্রান্তে অগোছালো নিয়তির
বহু জন্মের প্রতিক্ষা হয়েই রয়ে যায়
স্বপ্ন স্বপ্নান্তরের চূড়ান্ত সূর্যদোয়

শনিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮

অভিমান


তুমি তো জানোই; কি বিরামহীনভাবে
চুকে যাচ্ছি জীবনের দাম
তুমি তো জানোই, এ ব্যথা কত অবিরাম...
একদিন হিসেবের খাতা খুলে
মুখোমুখি হবো খোদা তুমি আর আমি
তুমি তো জানোই, ঋণ ছিলো কতো কার!
বিনিময়ে জরাজীর্ণ বেঁচে থাকা...
সে কি কেবল নিয়েই যাচ্ছে শুধু?
তুমি তো জানোই; সবটুকু রূপকথা।
অভিমান ছিলো আপন খোদার সাথে
আমার খোদাও কি অভিমানী ছিলো?
অথচ জানোই তো, কি নির্বোধ এই খেলা
আমরা খেলে যাচ্ছি, খেলেই যাচ্ছি...
একে অপরে অবহেলা.....

বৃহস্পতিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কালোকবিতা ৮৩

গভীর অন্ধকারের প্রতিশোধ গুলো
আর তার পর্যায়ক্রমে হতাশার সকাল গুলো
এরপর রৌদ্রজ্জ্বল মুখোশের মুখোমুখি
আমাদের প্রতিদিন, প্রতিরাত গুলো

আমাদের ভালো থাকা
আদতে, একে অপরের খারাপ থাকা
অথচ, কেটে যাওয়া দিনের নাম
একটা ভুলভাল প্রতিক্ষায় থাকা

মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই, ২০১৮

কালো কবিতা ৮২

অবিরত শুন্য এসে জমা হয় আশে পাশে
একে একে তুলে নেয় আমার কিছু কিছু
কেউ কেউ পূর্ণ হয়ে উছলে যায় এতেই
অথচ, অনেকে অপূর্ণ থেকেই যায় তারপরেও
.
সবে শেষে আমি কেবল খালি হয়ে পরে থাকি
তুমিতো জানোই সেই দু:খনুভুতির খুঁটিনাটি
.
তুমিতো জানোই এইসব কালো কবিতা

জুড়ে থাকা স্বপ্ন আর ভুলে যাওয়া ব্যাথা
এসবেই প্রতিবার এই জাগরিত পূর্ণতা
তুমিতো জানোই শুন্যতার এই রুপকথা

রবিবার, ৩ জুন, ২০১৮

যেদিন সুর্য উঠবে



এখনো যাদের খুন করা হয়নি
তাদের চিৎকার মৃত্যুর মতো স্পন্দনহীন
তারা জেগে থাকার ছদ্মবেশে ঘুমিয়ে আছে
দুঃস্বপ্ন ছাড়া আশ্রয় দেয়নি কেউ 

আরও কিছুকাল
অনন্তের সীমার সমান দীর্ঘ কিছুকাল
তাদের রক্তেও সতেজ হবে মাটি, 
উর্বর হবে কাদা, স্বচ্ছতা হারাবে ঢেউ 

তারপর একদিন
ঘোলা পানির মাছের শিকার শেষে 
বিপর্যস্ত হাহাকার ফুঁড়ে 
গনগনে সুর্য উঠবে; শিকারীদের চমকে দিয়ে
স্লোগান মুখর হবে ঐক্যবদ্ধ মৃত্যুহীন লাশগুলো। 

ইতিহাস বলে,
তারা বুঝে নিবে হিসেবের সমস্ত মাছ
যেদিন সূর্য উঠবে
প্রকাশিত হয়ে যাবে জেগে থাকা মৃত্যুগুলো


 

রবিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৮

ইতিহাস

আমাদের কোনো অতীত নেই,
আমরা চির-বর্তমানে বসবাস করি;
আর কেবল ভবিষ্যৎ লিখে রাখি...

আমরা মৌলিক সংখ্যার মতো—অসীমের অবিচ্ছেদ্য অংশ;
যতবার একে অপরের প্রেমে পড়ি,
সময়কে ভেঙেচুরে গড়ি মহাজাগতিক শূন্যতা।

আমাদের কোনো গতিপথ নেই,
আলো কিংবা অন্ধকার নেই;
কোনো ইতিহাস নেই, কোনো বিচ্ছেদ নেই;

অথচ, অমোচনীয় দূরত্বের অভিশাপে—
চৌম্বকীয় সমকর্ষের মতো...
আমাদের মিলন হয় না কখনো।

আমাদের এই যাপনের নামই... প্রেম!
এই উদযাপিত বিরহের নামই ইতিহাস।

মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১৮

আবহমান




তোমারতো জানাই আছে
একদিন সাম্যবাদও পুরনো হয়ে যাবে
গোলাপের রঙ বদলাবে, হয়ে যাবে বেগুনী
বৈষম্য বিক্রি হবে সমতার মোড়কে 

তুমিতো জানোই
একদিন চিরন্তনও শেষ হয়ে যাবে
ধ্বসে পড়বে নীতি পাহাড় 
অথচ, তুমি জানোইনা 
আমরা একটা অতীতে বসবাস করছি
 
একদিন তুমি খুঁজে পাবে প্রেম, অথচ 
তুমিতো জানোই যে, তুমি জানো না 
তোমার জন্য আমার এই প্রেম, 
সময়ের মত; আবহমান 
এবং তার কোন মহাকাশ নেই

তুমি জানো না
এ এক অনন্ত বর্তমান
 

বিসুখ


বিসুখ

আমাকে যে  বিষণ্ণতা গ্রাস করে থাকে
আমাকে যে বিপন্নতা গ্রাস করে বাঁচে;
তুমি জানো; কিংবা জানোই
হয়তো জানো না; কিংবা জানোই না তাকে!

এ কেমন জানি বিসুখের মতো
কত কত বার ভুলে গেছি.....

যত শতবার পরে মনে; তারপর থেকে
এ এমন এক মনে পরে থাকা, ভুলে যাওয়ার মতো..... 

তুমি জানো, কিংবা জানোই.....
হয়তো জানো না; কিংবা জানোই  না তাকে!


আমাকে যে বিষণ্ণতা গ্রাস করে থাকে;
তুমি জানো; কিংবা জানোই;
হয়তোবা জানোনা; কিংবা জানোই না তাকে;

এ কেমন জানি বিসুখের মত
কত কত বার ভুলে গেছি;
যত শতবার পরে মনে; তারপর থেকে
এ এমন এক মনে পরে থাকা ভুলে যাওয়ার মত!

তুমি জানো, কিংবা জানোই;
হয়তোবা জানোনা; কিংবা জানোইনা তাকে!

শুক্রবার, ৯ মার্চ, ২০১৮

উপাগত




সব শেষে যখন চোখে ঘুম নেমে আসে
জাগরণের মতো করে, স্পর্শকাতর;
সারাদিন যেনো একটা স্বচ্ছ বোতলের ভিতর
তোলপাড়.....
আর উপাগতের দল এক এক করে,
আসে আর যায়

এরা কেউ চেনা
কেউ অচেনা; কেউ আবার স্মৃতির মতো আবছায়া
এরা একে একে  নিজেদের পরিচয় দিয়ে যায়
আমার ঘুমের মতো জাগরণের ভিতর
যে যার মুখোশ খুলে রেখে যায়

ঠিক ঘুমিয়ে পড়ার আগে
আমি জানতে পারি
এরা কেউ আমার চেনা নয়;
হয়তোবা অচেনাও নয়,
মূলত, এরা কেউ আমার পরিচিত নয়

তারপর আমার ঘুম হয়,
নিরবিচ্ছিন্ন সুখের মতো অলীক
কারণ এখন আমি এদের পরিচয় জানি;
আমি জানি, এরা কেউ আমার চেনা নয়;
হয়তোবা অচেনাও নয়,
মূলত, এরা কেউ আমার পরিচিত নয়

তারপর এক একটা অপাপবিদ্ধ সকালে
পবিত্র ঘুম ভেঙে জেগে উঠি
কোথাকার সেই পরিচিত কোলাহলে

বুধবার, ৭ মার্চ, ২০১৮

অবসান




এরপর একদিন অপেক্ষার অবসান হলো
আমাদের দেখা হলো
তুমি জানলেই না, অথবা আমিও জানলাম না 
কিংবা দুজনের কেউই না।  

কিন্তু বারবার মনে হলো; যাক দেখাতো হয়েই গেলো ...
আর জ্যামিতি শাস্ত্র তুচ্ছ করে
দুটি সমান্তরাল রেখা পরস্পরকে ছেদ করে চলে গেলো। 

কেউ জানুক আর না জানুক 
একে অপরের অপক্ষের অবসান হলো 
আমাদের পরিচয় জমা রাখা মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষগুলো
বহুদুরে উড়ে গেলো প্রজাপতি হয়ে
এ যেনো একটা নিরাপরাধবোধ অনুভূতি, শিশুর পাপের মতো

এরপর একদিন দুজনার উচ্ছ্বাসিত হেঁটে চলা পথে
যখন আর কেউ কারো পথ চেয়ে নেই
দেখা হলো কিনা হয়ে যাবে; কে জানে!

এখন আর আমরা তো পরিচিত নই.....

অপেক্ষা

দেখা হবার অপেক্ষাতে যাপন আমার.....
একদিন দেখাতো হবেই

তারপর একদিন দেখা হবে
কিন্তু;
কেউ কারো কুশল জানতে চাইবো না,
যেনো প্রতিবেশী;  প্রতিদিন আমাদের দেখা হয়.....

কোন উত্তাপ থাকবে না
কেবল দেখাই হবে, কিন্তু; কথা হবে না
দুজন চলে যাবো, না দেখার ভান করে
যেমনটা হয় দুজন ইর্ষাকাতর প্রতিদ্বন্দীর ভিতরে। 

দুর্বোধ্য অপরাধবোধে আমাদের চোখ
চোখাচোখি হতে আসহায় বোধ করে

অথচ দেখা হবে
একদিন দেখাতো হবেই
হয়তো; দেখা না হওয়ার মত করে! 

শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

কালো কবিতা-৮১


আমি আমার নিজের চেহারা দেখে অবাক হয়ে যাই,
কি আশ্চর্য! কিংভুতকিমাকার আমি;
এর চেয়ে কাকের ছানাটাও সুন্দর
সুন্দর সাপের ডিম আর বানরের থাবা
.
তারপর নিজের কথা ভেবে আমি ভয় পেয়ে যাই ,
আমার মৃত্যুর পরে, যখন আমাকে উলঙ্গ করা হবে;
যখন আমাকে লুকিয়ে রাখার কোন শক্তি আমার থাকবে না
.
আমি হয়তো এই জন্যেই মরে যেতে চাইনা

মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৭

সকাল





একটা দীর্ঘ রাত্রী ছিলো 
অথবা তুমি ঘুমিয়ে ছিলে.....

আমি একটা অন্ধ সমুদ্র নিয়ে 
এলোমেলো কত ঝড় 
আর জলোচ্ছ্বাস নিয়ে তোলপাড় 
অথবা তুমি ঘুমিয়ে ছিলে.....

ঘুম থেকে জাগানোর পর
আমার পাখিরাও উঠেছে জেগে
ভীমপলশ্রী নয় ভৈরবী রাগে
চৌকাঠে শীতার্ত সূর্যের স্নিগ্ধ উঁকি-ঝুঁকি 

তোমাকে ঘুম থেকে জাগানোর পর
সকালের জন্ম হয়, 
আসে আনকোরা ভোর।

মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭

প্রেমের কিস্তি

.
তোমার থেকে ঋণ করবো উজাড় প্রেমের,
শোধ দেবো কিস্তি কিস্তি সেই শর্তে।
কিস্তি নিতে প্রতিদিনই আসবে তুমি আমার ঘরে...

প্রতিদিনই দেখা হবে, ছলচাতুরী কথা হবে,
কিছু চুম্বন ফিরিয়ে দেবো ফুল খোপাতে,
দুই-একটা দিন পালাবো তোমায় উতলা করে।

অশ্রুজলে সুদ বাড়াবে, করবো হিসাব চিবুক ছুঁয়ে,
বুকের ঋণে জড়িয়ে যাবো অষ্টেপৃষ্ঠে।
স্বপ্ন দেনায় ডুবেই যাবো তোমার প্রেমে...

বোশেখ মাসে বৃষ্টি এনে দায় মেটাবো।
রাজি আছি কিস্তি কিস্তি দুঃখ নিতে,
শীতল চোখের বিষণ্নতা উড়েই যাবে হৃদয় ওমে।

©রি হোসাইন
.
.

মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

ফিনিক্স



যাও-
তোমাকে অধিকার দিয়ে দিলাম
যত পারো নিঃশেষ করে দেখাও.....

আমি উড়ছি-
অনিবার্য ভস্ম কণা কিংবা প্রাসারিত ডানা
উড়াল ব্যাকরণ তোমার অজানা.....

জানতে চেও না-
নিজেকে কতটা পোড়ালে পিঠে গজায় ডানা!

আমি অবধারিত উড়ন্ত
যতই জানতে চাও
আমি একটা সমাপ্তহীন অজানা.....