বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

প্রেমিক-১৩


কিছু ঘ্রাণ রেখে এসেছি চৈতালি দুপুরের ঘরে
তারাতারি না করলে পুরে যাবে , প্রেম গুলো উড়ে উড়ে যাবে
ঠিক কৃষ্ণচুড়ার রঙ্গে যেমনে বিরহ পালায়
দু:খ না দেখালে তুমি আর কি বুঝবে প্রেম
তারও অধিক দু:খ ছিল

অনেক সাধনের প্রেম আমার ফাল্গুনে খাবে
তারা তারি যাও প্রিয় তারা তারি যাও
কৃষ্ণচুড়ার ফুল ফুটে যাবে
প্রেমিকের পথ কালবৈশাখী খুঁজে পাবে

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

প্রেমিক-১২



কিছু কাল আরো বৃষ্টি বিমুখ থেকো
শুকনো ফুলের বিলাপে এখনো মৌমাছিদের আনাগোনা
এখনো ধুসর বিকেলের ক্লান্তি নিয়ে ঠান্ডা হওয়ার ঝর স্বপ্ন দেখায়
এখনো কিছু বসন্ত আছে বাকি

তারপর প্রেম থেকে দুরে চলে যাবো পথিক হয়ে
তারপর আকাশের কালো মেঘে আমার প্রতিচ্ছবি একো
তারপর মধ্যরাতের চাদে কলংকের ঘ্রাণ যদি পাও
খানিক বৃষ্টিতে ভিজো

প্রেমিকের ভালবাসা বৃষ্টিতে ছড়ানো থাকে
বৃষ্টিতে ভিজে কতেক ভালবাসিও আমাকে

নাগরিক প্রেম


শহর জুড়ে ছড়িয়ে দেবো বিজ্ঞাপন,
তোমার জন্যই এইসব দিন-রাত যাপন।
ট্রাফিক জ্যামের ধুলোমাখা রাজপথে,
তোমার সাথে করবো বৃষ্টি উদযাপন।
​থমকে দাঁড়াক সিগন্যালের ওই জটে,
কালবৈশাখীর ঝাপটা দেওয়া ওই নাচন;
আকাশ জানুক, বাতাস জানুক, রৌদ্রটা—
তোমার নামেই করছি প্রেমের বীজ বপন।

©রি হোসাইন

বিপ্লবী-৫

রাতের এখনো কিছু বাকি 
আরো কিছু গভীর হতে পারে প্রেম 
শ্বব্দের ছন্নছাড়া মিলনে কবিতা হলে তুমি প্রেম চুরি করে নিও সেই কবিতার 
সকালে বিপ্লবে যাবো, সেখানে ব্যথা নিয়ে যাবো চোখ লাল করে 
জেনে রেখো, প্রেমিকেরাও বিপ্লবী হতে পারে

শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

আমি


এই
সন্মানের সাথে কথা বোলো, আমি মানুষ

বিপ্লবী-৪


যে মৃত্যু প্রস্তুত থাকে
তোমাকে আমরা সেই মৃত্যু দিয়ে আঘাত করে যাবো
কেউ সেটাকে বিপ্লব বলুক আর নাই বলুক
আমি ঠিকই মৃত্যুর মিছিলে সামিল হবো

চরমপত্র





পুরু চামড়ার গদির ভাঁজে
জমা রেখো কিছু অনুতাপ,
জিহ্বার চকচকে বিষ ঢেকো সুগন্ধি মেখে, 
কূটিল আর্তনাদে ঢেকে রেখো পাপ। 

দৃষ্টির সুঁচালো ফ'লায় একদিন
জং ধরে যাবে, এ-ই নিয়তি,
আমাদের সংঘবদ্ধ অভিমান গুলো
সূদ-আসলে বুঝে নিবে সব, এ-ই পরিণতি

সেইদিন স্লোগানের উৎসব হবে
রাতহীন ভোর হবে নতুন সূর্যের সমারোহে 
মনে রেখো বিপ্লব হবেই হবে
ফাল্গুনের জ্বলজ্বলে আবহে.....

বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

বিপ্লবী-৩


একটা ভাষাহীন কবিতার খসড়া নিয়ে
কিছু যৌবন পোড়া কৃষক আমাকে ডেকে যাচ্ছে আজকাল
আর আমি কলমের সবুজ কালির খোজে
এপথে ওপথে ঘুরি, বিপ্লব করি

সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

প্রেমিক- ১০


আরো কিছু জানুক মৌমাছিরা
আরো কিছু পরাগ বিফলে গেলে আমি প্রকাশিত হবো প্রেমিক হয়ে
তারপর প্রেম দেবো মধুর ও অধিক
তারপরও ফাল্গুন ফুলেরই থেকে যায়
প্রেমিক বুঝে নেয় শুধু অযথাই কাঁটার দায়

তবুও আমি তোমাকে সাজাবো
নষ্ট পরাগ নিয়ে চলে যাবো পথিক হয়ে
তুমি সেই প্রেম দিয়ে বসন্ত সাজিয়ে নিও

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

বিপ্লবী-২


একটা সবুজ থেকে আরেকটা সবুজের দুরত্ব মেপো
মনের গভীরে গভীরে বিপ্লব জমা হবে
তারপর কিছু ধান গাছ বুকে জড়িয়ে
আমার মৃত্যু হবে

বিপ্লবী


যেটুকু দাবিদাওয়া ছিল
তোমার কাছে সপে দিয়ে চলে যাব পথিক হয়ে
তুমি কিছু চাষ বাস কোরো, কৃষক হইয়ো

আমি কিছু ধানের গন্ধ ধার নিবো তোমার গা থেকে
তুমি কৃষক হয়ে মাটিকে সেই ঋণ শোধ করে দিও আমার হয়ে
আমি পরিশোধ করে দিব তোমায়
বিপ্লব হয়ে

শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

ঠিকানা


একদিন তোমাকে দেখতে যাবো
কিছু কাদামাটি গায়ে মেখে একাকার হবো বর্ষা গীতে
একদিন স্বপ্ন গুলো আবার সবুজ হবে
একদিন অশ্রু লুকাবোনা
তোমার কোলে মাথা রেখে চিত্কার করে কেদে যাবো

একদিন মানুষ হবো পথিক থেকে
একদিন তুমি আমার ঠিকানা হবে

প্রেমিক -৯


না জানলে সুখ
ইস্কাবনের বিবির অসুখ
তোমার খেলায় মনের জুয়া
আমি হারি যেমন তেমন
আগুন ভরা আমার শূন্য বুক
এইতো দেখো দু:খ
যেমন করে প্রেমিক হলাম
মৌমাছিদের আমন্ত্রণে
ফুল ছুয়েছি কাঁটার দায়ে
ফাগুন তখন ফিরিয়ে নিল মুখ

বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

প্রেমিক -৮


ভালবাসা থেকে কলঙ্ক আলাদা করে ছুড়ে ফেলে দিলে
আমি কুড়িয়ে নিলাম
আমি ভালোবেসেছিলাম

বিপন্ন কাঁটার কাছে অহেতুক প্রেম জমেছিল
তাই দু:খের সব দায়ভার নিলাম
আমি প্রেমিক ছিলাম

বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

আশায় আশায়


আমি হয়তো উড়তে থাকা
হয়তোবা ঝড়, উটকো বাতাস
সমুদ্রটা সূর্যপ্রেমে পুড়তে থাকা
হাসনাহেনায় সন্ধ্যা মাতাল
আমি নাহয় ভুল কবিতায়
আটকে থাকা ছন্দ বাচাল
চাতক পাখির ভাঙা হৃদয়
দাঁড়িয়ে দূরের দাঁড়কাকটা
চঞ্চলতা ঘড়ির কাটায়
আমি হলাম সেই পাখিটা
খাঁচার প্রেমে আশায় আশায়
তোমার চোখে তাকিয়ে থাকা।

রবিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১২

সন্ধ্যা কাল



একটা বিকাল.....
আমি কেবল বিভোর থাকি দিনের মোহে
একটু পরে সূর্য হবে লাল!


ফুরালো দিন.....
চোখের নিবিড় অপেক্ষাতে উজাড় পথে, তাকিয়ে থেকো
নামলে সন্ধ্যা কাল

গন্ধ



একটা গন্ধ ছায়ার মত আমাকে অনুসরণ করে
আমি যেখানেই যাই যেখানেই খুলি হৃদয়
যেখানেই ভেসে যায় চোখ
যেখানেই বিক্রি হই লোভ কিংবা হিংসার কাছে!

আমি ক্ষুধার্ত থাকলে সুবাস খুব তীব্র হয়
কবিতা লিখতে বসলে ঘ্রাণটা এলোমেলো হয়ে যায়
পাপ করলে গন্ধটা গুমোট বাধে
আর ভালোবসলেই খুশবুটাও কেমন স্নিগ্ধ; পরিপাটি

তুমি এলে গন্ধটা থাকেনা
তুমি এলে ঘ্রাণটা তোমার সৌরভ মনে হয়.....



বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১২

পরকীয়া


আজ দুপুর বেলা একলা ছিলে
বুকের বোটায় কিসের একটা গোপন গোপন ব্যথা ছিলো
ফুলের পরাগ মৌমাছিতে লেপ্টে গেলে কি দোষ হলো

আজ দুপুর বেলায় আমি ছিলাম অন্য পুরুষ
কাঙ্গাল মনের বিষাদ গুলো গুনগুনিয়ে তোমার মনের বিষাদ নিয়ে আগুন খেলি
আমি হলাম পর পুরুষের পথের ছায়া
ছিনিয়ে নিয়ে দৌড়ে পালাই তোমার চোখের মহামায়া

যতটা কাল প্রেমিক ছিলাম প্রেম খুজেছি
আজ দুপুর বেলা একলা ছিলে, আজকে আমি
ফাগুনহারা অবসন্তের নাগর হলাম

শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১২

তুমি- ১৩


মন চাইলে খুলে ফেলো বস্ত্র
ফোটা ফোটা ঝরে পরে শরীর থেকে
এলোমোলো মৌমাছি গুলো তোমাকে মাদক ভেবে
আমাকে নষ্ট করে দিলো

আমি এই নগ্নতা নিয়ে
কলঙ্ক কেনার ব্যর্থ প্রচেষ্টা করি
মূল্যের সীমায় তোমাকে যায় না ছোয়া
মন চাইলে ঝেড়ে ফেলো কিছু প্রেম
অলস পাখির পালকের মত নিতান্ত অবহেলা করে
আমি কুড়িয়ে ছিলাম সুখে
তারা হৃত্পিণ্ড জ্বালিয়ে দিলো
ওগুলো আগুন ছিল

মন চাইলে ভালোবাসো কি বিশাল মহত্বে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে
ফোটা ফোটা আগুনের ঘ্রাণ

মন ভালো না



মন ভালো না
জমকালো না
চোখের ভিতর চেয়ে-ই আছি চেয়ে-ই আছি
নাগর তবু চমকালোনা

রাত ভালো না
ভোর ভালো না
দুপুর ছিল আমার হয়ে একান্তেতে অলস মত
তাও এলে না

কোথায় থাকো
কিসব আঁকো
বাকা তুলির পাকা রঙ্গে আমার দুখের একটা হলুদ
ছবি আঁকো না

নাকি আবার দু:খ তুমি
আঁকতে জানোনা?